সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১

লক্ষ্মীপুর নিউজ

দিন বদলের প্রত্যয়ে

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর ঘর থেকে স্বর্নলংকার চুরি

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে কাতার প্রবাসী মো. হাসানের ১তলা ভবনের গেটের তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসময় দুই লক্ষ টাকার স্বর্নলংকার চুরি হয় বলে জানিয়েছেন প্রবাসীর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার শিপন।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামে মনগাজী চৌকিদার বাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রী তাহমিনা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাঁর ঘরে চুরি হওয়ার ঘটনার তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করেন।

সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট সোমবার দুপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে তার মা রহিমা নেছার সাথে একটি কাঠাল গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি’র ঘটনা ঘটে। ওইদিন প্রবাসীর বৃদ্ধ মা-বাবাকে তার ভাই-বোন সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রাতে হাসপাতাল থেকে প্রবাসীর ভাই হোসেন, বোন জোছনা ও মোছনা বেগম বাড়ীতে গিয়ে তারা প্রবাসীর স্ত্রী তাহমিনাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। হামলাকারীরা পরেরদিন ঘটনাকে নতুন রূপে সাজাতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ওই থেকে প্রবাসীর স্ত্রী তাহমিনা তার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ীতে চলে যান। ঘরে তালা দিয়ে। (আজ বৃহস্পতিবার) সকালে বাড়ীতে এসে দেখতে পান তার ঘরে নতুন তালা ঝুলে। যাওয়ার সময় যে তালা মেরে গেছেন ওই তালা নেই। পরে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতে নতুন তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে দেখেন তার ঘরের আলমারি খোলা এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে জামা-কাপড়। ঘরে থাকা স্বর্নলংকার কিছু নেই। তাহমিনা’র ধারনা তার দেবর ও ননদ এ কাজ করতে পারে। এর পূর্বে কখনও তার ঘর চুরি-ডাকাতি হয়নি। ১৮ বছর তার স্বামী বিদেশ থাকেন। তার ননদের অত্যাচারে তাহমিনা ও তার দুই জাল বাবার বাড়ীতে থাকেন বেশিরভাগ সময়।

স্থানীয় ইমাম সাহেবের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান। নিকটতম আত্মীয় ছাড়া তো কেউ করার কথা না তাদের পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেই এই চুরিটা হয়েছে।

দালাল বাজার ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বর) লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। গ্রামবাসীর উপস্থিতে নতুন তালা ভাঙা হয়। নিকটতম আত্মীয় ছাড়া কেউ এমন দুঃসাহসিক কাজ করবে না। প্রবাসীর স্ত্রীকে আইনগত সহায়তা নিতে বলা হয়েছে।

এবিষয় বক্তব্য নিতে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন ও দালাল বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে একাধিকবার মোবাইল করেও কথার সুযোগ হয়নি।