লক্ষ্মীপুরে করোনায় মৃত লাশ দাফন ও সৎকার করতে নিরাপত্তা সামগ্রী দিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরুজ্জামান পাটোয়ারি।

নিজশ্ব প্রতিবেদক ঃ লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সবুজ বাংলাদেশ ও ইত্তিহাদুন নাস নামের দুটি সংগঠনের যে সকল সেচ্ছাসেবী দাফনকাজ ও সৎকারে অংশগ্রহণ করবেন তাদেরকে আজ বৃহস্পতিবার  প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।দেশব্যাপি মহামারী করোনায় আক্রান্ত দিন দিন বেড়ে চলছে। লক্ষ্মীপুরেও করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লক্ষ্মীপুর জেলায় করোনা আক্রান্ত মৃত লাশ দাফন, সৎকার কার্যক্রম সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ বাংলাদেশ এবং ইত্তিহাদুন নাস ফাউন্ডেশন (ইনাফা) নামে দুইটি সংগঠন।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন এবং ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় ৭এপ্রিল রোজ বৃহঃপ্রতিবার বেলা ১২টায় সিভিল সার্জন অফিসে ঘন্টা ব্যাপি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন লক্ষ্মীপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. আশফাকুর রহমান মামুন, লক্ষ্মীপুর আইডিয়াল আলিম মাদ্রাসার চেয়ারম্যান মাওলানা জসিম উদ্দিন। প্রশিক্ষণে ধর্মীয় নিয়ম এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কি ভাবে দাফন এবং সৎকার করা হবে সেটি সেচ্ছাসেবকদের শিখানো হয়।
সেচ্ছাসেবক টিমটি পুরো জেলা নিয়ে কাজ করবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। প্রশিক্ষণে অংশ নেয় তিনজন নারী সেচ্ছাসেবকসহ মোট ২৫ জন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। স্বেচ্ছাসেবকদের নিরাপত্তা সরঞ্জামসহ যাবতীয় সহযোগীতা করেন লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান পাটোয়ারী। প্রশিক্ষণে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফান্ডেশনের উপ-পরিচালক আশিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান পাটাওয়ারী, সবুজ বাংলাদেশ সভাপতি মোঃ শাহীন আলম, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাবু ইত্তিহাদুন নাস ফাউন্ডেশন (ইনাফা) সভাপতি- জালাল উদ্দিন রুমি, সাধারণ সম্পাদক- মোঃ ইয়াসিন আহমদ, প্রমুখ।
তরুণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা- মনিরুজ্জামান পাটোয়ারী বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লাশের দাফনকাজে যেনো মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু ও সহপাঠী নিরাপত্তা সামগ্রী পরিধান করে জানাযা’য় উপস্থিত হয়ে সম্মানজনক ভাবে শেষ বিদায় দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করাটাই আমার উদ্দেশ্য। কারন, ইতিমধ্যে চিকিৎসা বিজ্ঞান জানিয়েছেন যে, করোনাভাইরাস আক্রান্ত মৃত লাশ থেকে কোনো প্রকার ভাইরাস ছড়াই না।