লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) ভোটারদের নজরে সাত্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের ভোটারদের মুখে মুখে এখনও অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের নাম শুনা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে জনগণের অধিকার রক্ষার্থে তার বিকল্প নেই। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে প্রার্থী হলে তিনি বিপুল ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করবেন। জানা গেছে, স্থানীয় ভোটারদের এমন আলোচনার মূলে রয়েছে ব্যক্তি এম এ সাত্তার ও তার উন্নয়নমুখী কর্মকান্ড।
অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার ঢাকা মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বটতলী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মিয়াজী পরিবারের সন্তান তিনি।
আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকে জনপ্রিয় প্রার্থী প্রয়োজন। কারণ এ আসনটি বিএনপির দূর্গ হিসেবে বেশ পরিচিত। বর্তমানে এখানে আওয়ামী লীগের অবস্থান খুবই শক্তিশালী। তবুও দলমত নির্বিশেষে ভোট পাবে এমন প্রার্থী-ই এখানে দলের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, নির্বাচন এলেই শুধু আমাদের জনপ্রতিনিধিদের দেখা মিলে। নির্বাচনের পর তারা যেন হাওয়ায় মিলিয়ে যান। তাই এবার এমন প্রার্থীকে ভোট দিবো যিনি জনপ্রতিনিধি নির্র্বাচিত হয়ে জনগণকে সাথে নিয়েই কাজ করবেন। জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি থেকে বিরত থাকবেন। অবশ্য অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের বিগত কয়েক বছরের জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে ভালো কিছুর ইঙ্গিত রয়েছে বলেও জানান তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, এবারের নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের বিকল্প নেই। কারণ বিগত বছরগুলোতে এ অঞ্চলের প্রায় প্রত্যেকটি গ্রাম-গঞ্জ চষে বেড়িয়েছেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের খোঁজখবর নিতে ছুটেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। ব্যক্তিগত অর্থায়নে একটি ট্রাস্ট গঠন করে উন্নয়ন করেছেন জেলার বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরের। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য গরীব, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে। সবমিলিয়ে নিজের ব্যক্তিত্ব ও কর্মকান্ডের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন তিনি। এমন দ্বিতীয় জন নেই বলেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত করার পরও ভোটারদের মুখে মুখে অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের নাম শুনা যাচ্ছে।
এদিকে প্রত্যাশিত প্রার্থীকে পাওয়ার আশায় এখনও চায়ের কাপে ঝড় তুলছে স্থানীয় ভোটাররা।